আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় চট্টগ্রাম জেলার উপজেলা।
চট্টগ্রাম জেলার উপজেলা:-
আনোয়ারা
আনোয়ারা বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা। আনোয়ারা উপজেলার মোট আয়তন ১৬৪.১০ বর্গ কিলোমিটার (৪০,৫৫১ একর)। ২২°০৭´ থেকে ২২°১৬´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯১°৪৯´ থেকে ৯১°৫৮´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ জুড়ে চট্টগ্রাম মহানগরীর বিপরীতে কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ-পূর্ব পাশে ও বঙ্গোপসাগরের উপকূলে আনোয়ারা উপজেলার অবস্থান।
চট্টগ্রাম জেলা সদর থেকে এ উপজেলার দূরত্ব ২৪ কিলোমিটার। এ উপজেলার উত্তর-পশ্চিমে কর্ণফুলী নদী ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পতেঙ্গা থানা; উত্তরে কর্ণফুলী উপজেলা ও পটিয়া উপজেলা; পূর্বে পটিয়া উপজেলা, চন্দনাইশ উপজেলা, সাঙ্গু নদী, সাতকানিয়া উপজেলা ও বাঁশখালী উপজেলা; দক্ষিণে সাঙ্গু নদী ও বাঁশখালী উপজেলা এবং পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত।
কর্ণফুলী
কর্ণফুলী বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার একটি উপজেলা। বর্তমানে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম উপজেলা কর্ণফুলী। কর্ণফুলী উপজেলার মোট আয়তন ৫৫.৩৬ বর্গ কিলোমিটার (১৩,৬৭৯ একর)।
চন্দনাইশ
চন্দনাইশ বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা। চন্দনাইশ উপজেলার আয়তন ২০১.৯৯ বর্গ কিলোমিটার (৪৯,৯১৩ একর)। চট্টগ্রাম জেলার দক্ষিণাংশে ২২°০২´ থেকে ২২°০৮´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯১°৪৯´ থেকে ৯২°০৯´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ জুড়ে চন্দনাইশ উপজেলার অবস্থান।
চট্টগ্রাম জেলা সদর থেকে এ উপজেলার দূরত্ব প্রায় ৩৫ কিলোমিটার। এ উপজেলার উত্তরে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা ও পটিয়া উপজেলা; পশ্চিমে পটিয়া উপজেলা, আনোয়ারা উপজেলা ও সাতকানিয়া উপজেলা; দক্ষিণে সাতকানিয়া উপজেলা এবং পূর্বে সাতকানিয়া উপজেলা ও বান্দরবান জেলার বান্দরবান সদর উপজেলা অবস্থিত।

পটিয়া
পটিয়া বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার একটি উপজেলা। পটিয়া উপজেলার আয়তন ৩১০.২৩ বর্গ কিলোমিটার (৭৬,৬৫৯ একর)। চট্টগ্রাম জেলা সদর থেকে ৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে চট্টগ্রাম জেলার দক্ষিণাংশে ২২°১৩´ থেকে ২২°২১´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯১°৫২´ থেকে ৯২°০৭´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ জুড়ে পটিয়া উপজেলার অবস্থান। এ উপজেলার দক্ষিণে আনোয়ারা উপজেলা ও চন্দনাইশ উপজেলা; পূর্বে চন্দনাইশ উপজেলা ও রাঙ্গুনিয়া উপজেলা; উত্তরে বোয়ালখালী উপজেলা, কর্ণফুলী নদী ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের চান্দগাঁও থানা এবং পশ্চিমে কর্ণফুলী উপজেলা অবস্থিত।
ফটিকছড়ি
ফটিকছড়ি বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা। ১৬৬৬ খ্রিষ্টাব্দে দিল্লীর বাদশা আওরঙ্গজেবের শাসনকালে বাংলার শাসনকর্তা সুবেদার শায়েস্তা খানের পুত্র বুজুর্গ উমেদ আলী খাঁ আরাকান রাজাকে পরাজিত করে চট্টগ্রাম দখল করে এর নামকরণ করেন ইসলামাবাদ। শাসনকার্যের সুবিধার জন্য ও শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষাকল্পে সমগ্র এলাকাকে ৭টি চাকলায় ভাগ করে এক একটি পরগণার এক একটি নামকরণ করেন।
বাংলার বার ভুঁইয়াদের অন্যতম স্বাধীনতাকামী ঈসা খাঁ এ অঞ্চলে অবস্থানকালে বাইশপুর সমন্বয়ে ঐতিহাসিক ‘ইছাপুর পরগণা’ গঠন করেন। বঙ্গশার্দুল ঈসা খাঁর নামানুসারেই সাবেক ইছাপুর পরগণাই পরবর্তীতে বর্ধিত আকারে হয় বর্তমানের ফটিকছড়ি উপজেলা।
বাঁশখালী
বাঁশখালী বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্গত বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী একটি উপজেলা। বাঁশখালী উপজেলার আয়তন ৩৭৬.৯০ বর্গ কিলোমিটার (৯৩,১৩৫ একর)। চট্টগ্রাম মহানগরী থেকে ৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণে ২১°৫৩´ থেকে ২২°১১´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯১°৫১´ থেকে ৯২°০৩´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ জুড়ে বাঁশখালী উপজেলার অবস্থান। এ উপজেলার উত্তরে সাঙ্গু নদী ও আনোয়ারা উপজেলা, দক্ষিণে কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলা ও পেকুয়া উপজেলা, পূর্বে লোহাগাড়া উপজেলা ও সাতকানিয়া উপজেলা, পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর।
বোয়ালখালী
বোয়ালখালী বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা। কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ-পূর্ব পাড় ঘেঁষে ২২°২০´ থেকে ২২°২৫´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯১°৫২´ থেকে ৯২°০৩´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে বোয়ালখালী উপজেলার অবস্থান। চট্টগ্রাম জেলা সদর থেকে এ উপজেলার দূরত্ব প্রায় ১২ কিলোমিটার। এ উপজেলার দক্ষিণে পটিয়া উপজেলা; পূর্বে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা; উত্তরে কর্ণফুলী নদী, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা ও রাউজান উপজেলা এবং পশ্চিমে কর্ণফুলী নদী, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের চান্দগাঁও থানা ও বাকলিয়া থানা অবস্থিত।
মীরসরাই
মীরসরাই বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা। ১৩৩৮ সালের ১লা জানুয়ারি সুলতান ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ এর নেতৃত্বে বাংলা স্বাধীন সালতানাদ দিল্লি সালতানাদ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। ১৩৩৮সালে তিনি ফেনী ও চট্টগ্রাম অধিকার করে এ অঞ্চলে মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে তার বংশধর সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহ, তার ছেলে নাসিরউদ্দিন নুসরাত শাহ ও গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহের আমলে পরাগল খাঁ ও তার ছোট ভাই ছুটি খাঁ এ অঞ্চলের শাসনকর্তা ছিলেন।
এর পরে সুরি সম্রাট শেরশাহের ভাই নিজাম শাহ এখানকার শাসনকর্তা ছিলেন। তাঁর নামানুসারে নিজামপুর পরগণার নামকরণ হয় এবং সমগ্র মীরসরাই এলাকা, ছাগলনাইয়া এলাকা ও ফেনী এলাকা নিজামপুর পরগণার অন্তর্ভুক্ত হয়। ষোড়শ শতকের শুরু থেকে এই অঞ্চল বাংলা সাহিত্যচর্চার অন্যতম কেন্দ্র ছিল।
১৫৮০ থেকে ১৬৬৬ সাল পর্যন্ত অধিকাংশ সময় এই অঞ্চল আরাকানীদের শাসনে ছিল। সুবেদার শায়েস্তা খাঁ এর পুত্র বুজুর্গ উমেদ খাঁ ফেনী নদী পার হয়ে বর্তমান মীরসরাই থানার যে স্থানে সৈন্যদল নিয়ে অবতরণ করেন, সে স্থানের নামকরণ হয় বুজুর্গ উমেদনগর। তাঁর চট্টগ্রাম বিজয়ের মধ্য দিয়ে এই অঞ্চল স্থায়ীভাবে মুঘলদের শাসনে চলে যায়। ইংরেজ শাসনামলের শেষদিকে চট্টগ্রামের বিপ্লবীদের তৎপরতার অন্যতম কেন্দ্র ছিল মীরসরাই উপজেলার দুর্গাপুর ও করেরহাট এলাকা।
রাউজান
রাউজান বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার একটি উপজেলা। রাউজান উপজেলার প্রাচীন ইতিহাসের সাথে বৌদ্ধ উপনিবেশের সম্পর্ক ওতপ্রোতভাবে জড়িত। জানা গেছে যে, রাউজানে আদি বসতি স্থাপনকারী হলো বৌদ্ধরা। বিনাজুরীতে প্রায় ৪ শত বছরের প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার রয়েছে। রাউজান এলাকার নামকরণের সাথেও বৌদ্ধ ঐতিহ্য জড়িত।
কারণ মোগল সুবেদার শায়েস্তা খান কর্তৃক ১৬৬৬ খ্রিষ্টাব্দে চট্টগ্রাম বিজয়ের প্রায় ১০০০ বছর পূর্ব থেকে সারা চট্টগ্রাম অঞ্চলই বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী মগ বা আরাকানীদের অধিকারে ছিল। ফলে রসিকতা করে অনেকে চট্টগ্রামকে মগের মুল্লুকও বলতেন। সে অনুযায়ী ধারণা করা হয় যে, রাউজানও একসময় আরাকান রাজ্যের অন্তর্গত ছিল। আরাকানী ভাষায় এটিকে বলা হত রজোওয়াং বা রাজ পরিবারের ভূমি। আর এ নামের অপভ্রংশ থেকেই রাউজান নামের উৎপত্তি হয়েছে বলে বিশিষ্ট পণ্ডিতগণের ধারণা।
রাঙ্গুনিয়া
রাঙ্গুনিয়া বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা। চট্টগ্রাম জেলা সদর থেকে প্রায় ৩২ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত এ উপজেলাটি আয়তনের দিক থেকে চট্টগ্রাম জেলার ষষ্ঠ বৃহত্তম এবং জনসংখ্যার দিক থেকে নবম জনবহুল উপজেলা।
লোহাগাড়া
লোহাগাড়া বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার আওতাধীন সর্বদক্ষিণের উপজেলা। লোহাগাড়া উপজেলার মোট আয়তন ২৫৮.৮৮ বর্গ কিলোমিটার (৬৩,৯৭০ একর)। চট্টগ্রাম জেলা শহর থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দক্ষিণে ২১°৫৪´ থেকে ২২°০৫´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯২°০০´ থেকে ৯২°১৩´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ জুড়ে এ উপজেলার অবস্থান। এ উপজেলার উত্তরে সাতকানিয়া উপজেলা, পশ্চিমে বাঁশখালী উপজেলা, দক্ষিণে কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলা ও বান্দরবান জেলার লামা উপজেলা এবং পূর্বে বান্দরবান জেলার লামা উপজেলা ও বান্দরবান সদর উপজেলা অবস্থিত।

সন্দ্বীপ
সন্দ্বীপ বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্গত উপজেলা। এটি বাংলাদেশের অত্যন্ত প্রাচীন একটি দ্বীপ। ইউরোপীয়দের লেখা ইতিহাসে জানা যায় যে সন্দ্বীপে প্রায় তিন হাজার বছরের অধিককাল ধরে লোক বসতি বিদ্যমান। এমনকি এককালে এর সাথে সংযুক্ত থাকা নোয়াখালীতে মানুষের বসতি স্থাপনের পূর্বেই সন্দ্বীপে জনবসতি গড়ে উঠেছিল।
। সন্দ্বীপের লবণশিল্প, জাহাজ নির্মাণ কারখানা ও বস্ত্রশিল্প পৃথিবীখ্যাত ছিল। উপমহাদেশের উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের ভ্রমণকারীরা এই অঞ্চলে এসে তাদের জাহাজ নোঙ্গর করতেন এবং সহজ বাণিজ্য ব্যবস্থা এবং পরিবহন সুবিধাদি থাকায় এই অঞ্চলে ব্যবসা এবং বসতি স্থাপনে আগ্রহ প্রকাশ করতেন। ১৭৭৬ সালের এক প্রতিবেদনে জানা যায়, প্রতি বছর সন্দ্বীপে উৎপাদিত প্রায় ১ লক্ষ ৩০ হাজার মণ লবণ, তিনশ জাহাজে করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হত।
সাতকানিয়া
সাতকানিয়া বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার একটি উপজেলা। এই উপজেলা ব্যবসা কেন্দ্র হিসেবে সুপরিচিত। সাতকানিয়া উপজেলার আয়তন ২৮২.৪০ বর্গ কিলোমিটার। ২২°০১´ থেকে ২২°১৩´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯১°৫৭´ থেকে ৯২°১০´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ জুড়ে এ উপজেলার অবস্থান।
সাতকানিয়া উপজেলার উত্তরে চন্দনাইশ উপজেলা, উত্তর-পশ্চিমে আনোয়ারা উপজেলা, পশ্চিমে বাঁশখালী উপজেলা, দক্ষিণে লোহাগাড়া উপজেলা এবং পূর্বে বান্দরবান জেলার বান্দরবান সদর উপজেলা অবস্থিত । সমতল ভূমি, পাহাড় ও সাঙ্গু নদী ও ডলু নদী দ্বারা বেষ্টিত সাতকানিয়া উপজেলা চট্টগ্রাম জেলা সদর থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
সীতাকুণ্ড
সীতাকুণ্ড উপজেলা বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা যা ৯টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। এটি চট্টগ্রাম জেলার ১৫টি উপজেলার, বাংলাদেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থার দ্বিতীয় স্তর, একটি। এটি চট্টগ্রাম বিভাগের অধীন চট্টগ্রাম জেলার মধ্যে একটি এবং চট্টগ্রাম জেলার উত্তরে অবস্থিত।
চট্টগ্রাম নগরীর ৯ কি.মি. উত্তরে রাজধানী ঢাকা থেকে ২১৯ কি.মি.দক্ষিণে – ৩৫ কি.মি. দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট গিরিসৈকতের মিলন কেন্দ্র বার আউলিয়ার পূণ্যভূমিতে সীতাকুন্ড থানার অবস্থান। এই উপজেলর উত্তরে মিরসরাই ও ফটিকছড়ি উপজেলা, দক্ষিণে পাহাড়তলী থানা, পূর্বে ফটিকছড়ি ও হাটহাজারী উপজেলা এবং পাঁচলাইশ থানা, পশ্চিমে সন্দ্বীপ চ্যানেল ও সন্দ্বীপ উপজেলা অবস্থিত। সীতাকুন্ড উপজেলায় দেশের প্রথম ইকোপার্ক অবস্থিত, পাশাপাশি বিকল্প শক্তি প্রকল্প, বিশেষ করে বায়ু শক্তি এবং ভূ-তাপীয় শক্তি প্রকল্প অবস্থিত।
হাটহাজারী
হাটহাজারী বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা। এটি চট্টগ্রাম শহর থেকে মাত্র ২০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত। হাটহাজারী উপজেলার মোট আয়তন ২৪৬.৩২ বর্গ কিলোমিটার (৬০,৮৬৭ একর)।
