খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ৯ই জুন ২০০০, ১২:০ পিএম

বারশত বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা উপজেলার অন্তর্গত একটি ইউনিয়ন। বারশত ইউনিয়নের আয়তন ৩,২০৮ একর (১২.৯৮ বর্গ কিলোমিটার)। ২০১১ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী বারশত ইউনিয়নের মোট জনসংখ্যা ২৮,৮৬৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১৪,২৩৫ জন এবং মহিলা ১৪,৬৩০ জন। মোট পরিবার ৫,৪৬০টি। আনোয়ারা উপজেলার পশ্চিমাংশে বারশত ইউনিয়নের অবস্থান। উপজেলা সদর থেকে এ ইউনিয়নের দূরত্ব প্রায় ৮ কিলোমিটার। এ ইউনিয়নের দক্ষিণে রায়পুর ইউনিয়ন, পূর্বে বটতলী ইউনিয়ন, উত্তরে বৈরাগ ইউনিয়ন এবং পশ্চিমে কর্ণফুলী নদীর মোহনা ও বঙ্গোপসাগর অবস্থিত।

বারশত-ইউনিয়ন আনোয়ারা উপজেলার আওতাধীন ২নং ইউনিয়ন পরিষদ। এ ইউনিয়নের প্রশাসনিক কার্যক্রম আনোয়ারা থানার আওতাধীন। এটি জাতীয় সংসদের ২৯০নং নির্বাচনী এলাকা চট্টগ্রাম-১৩ এর অংশ। এটি ৫টি মৌজায় বিভক্ত। এ ইউনিয়নের গ্রামগুলো হল:
ব্রিটিশ শাসনামলের আনুমানিক ১৯৪৩ সালে প্রথম মহকুমার অধীনে বর্তমান বারশত এই ১টি গ্রাম নিয়ে বারশত-ইউনিয়ন গঠিত হয়। ঐ সময়ে ইউনিয়নের চেয়ারম্যানকে গ্রাম প্রেসিডেন্ট বলা হত। ১৯৫০ সালে পাকিস্তান শাসনামলে গ্রাম প্রেসিডেন্টের পদকে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদবী ঘোষণা করা হয়। ১৯৫৪ সালে প্রথম গ্রাম প্রেসিডেন্ট হন ওছিউদ্দিন সরকার। তারপর পর্যায়ক্রমে আলী আহমদ বি.কম. গ্রাম প্রেসিডেন্ট এর দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৭ সালে তৎকালীন পাকিস্তান মহকুমা জুরি বোর্ড এর সদস্য ডাঃ রেয়াজ উদ্দীন সরকান প্রথম ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মনোনীত হন এবং তিনিই মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে অত্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। ১৯৮৫ সালে প্রশাসনিক কাজের সুবিধার্থে তৎকালীন প্রশাসক বারশত গ্রামকে পৃথক করে বারশত-ইউনিয়ন গঠন করা হয়। বর্তমানে ৭টি ছোট বড় গ্রাম মিলিয়েই বারশত-ইউনিয়ন পরিষদ।
২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বারশত-ইউনিয়নের সাক্ষরতার হার ৪৯.৪%। এ ইউনিয়নে ১টি স্কুল এন্ড কলেজ, ১টি আলিম মাদ্রাসা, ১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে।
বারশত-ইউনিয়নে যোগাযোগের প্রধান সড়ক শিকলবাহা-রায়পুর সড়ক। সব ধরনের যানবাহনে যোগাযোগ করা যায়। বারশত-ইউনিয়নের উত্তর-পশ্চিম পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে কর্ণফুলী নদী। এছাড়া এ ইউনিয়নের অভ্যন্তরে প্রবাহিত হচ্ছে পারকি বাজার খাল, গুন্দ্বীপ পাড়া খাল এবং গোবাদিয়া খাল। বারশত-[ইউনিয়নের প্রধান হাট/বাজার হল মিন্নত আলী দোভাষীর হাট।


মন্তব্য