খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ১২ই জুন ২০০০, ১১:২৫ এএম

জঙ্গলখাইন বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলার অন্তর্গত একটি ইউনিয়ন। জঙ্গলখাইন ইউনিয়নের আয়তন ১,৯০৪ একর (৭.৭১ বর্গ কিলোমিটার)। ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী জঙ্গলখাইন ইউনিয়নের মোট জনসংখ্যা ১১,৭১৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৫,৭২৭ জন এবং মহিলা ৫,৯৯০ জন। মোট পরিবার ২,২৬০টি।
পটিয়া উপজেলার উত্তর-মধ্যাংশে জঙ্গলখাইন ইউনিয়নের অবস্থান। উপজেলা সদর থেকে এ ইউনিয়নের দূরত্ব প্রায় ৪ কিলোমিটার। এ ইউনিয়নের উত্তরে ধলঘাট ইউনিয়ন ও হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়ন; পশ্চিমে হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়ন, কুসুমপুরা ইউনিয়ন ও বড়লিয়া ইউনিয়ন; দক্ষিণে কুসুমপুরা ইউনিয়ন ও বড়লিয়া ইউনিয়ন এবং পূর্বে ভাটিখাইন ইউনিয়ন, পটিয়া পৌরসভা ও দক্ষিণ ভূর্ষি ইউনিয়ন অবস্থিত।

জঙ্গলখাইন-ইউনিয়ন পটিয়া উপজেলার আওতাধীন ৯নং ইউনিয়ন পরিষদ। এ ইউনিয়নের প্রশাসনিক কার্যক্রম পটিয়া থানার আওতাধীন। এটি জাতীয় সংসদের ২৮৯নং নির্বাচনী এলাকা চট্টগ্রাম-১২ এর অংশ। এ ইউনিয়নের গ্রামগুলো হল:
এ ইউনিয়নে এক সময় প্রচুর গাছপালা বা জঙ্গল ছিল, যা থেকে এ ইউনিয়নের নাম জঙ্গলখাইন। জঙ্গলখাইন ইউনিয়ন এক সময় বড়লিয়ার সাথে একীভূত ছিল। পরবর্তীতে জঙ্গলখাইন ইউনিয়ন থেকে বড়লিয়া ইউনিয়ন পৃথক করা হয়।
২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী জঙ্গলখাইন ইউনিয়নের সাক্ষরতার হার ৬২%।[১] এ ইউনিয়নে ১টি স্কুল এন্ড কলেজ, ২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে।

জঙ্গলখাইন-ইউনিয়নে যোগাযোগের প্রধান সড়ক চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক। সব ধরনের যানবাহনে যোগাযোগ করা যায়। জঙ্গলখাইন-ইউনিয়নে ২২টি মসজিদ ও ৬টি মন্দির রয়েছে। এই ইউনিয়নের সবচেয়ে বড় মসজিদ হল কাছিম আলী মুন্সি ও আইনুদ্দিন মুন্সি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। মসজিদটি পুরনো মসজিদগুলোর মধ্যে অন্যতম। ১৯১০ সালে মসজিদটি প্রতিষ্ঠিত হয় যার সপক্ষে এর ওয়াকফ দলিল পাওয়া যায়। ধারণা করা হয় এটি আরও আগে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে। নাইখাইন আর গৈড়লার উল্লেখযোগ্য মানুষ এই মসজিদে সালাত আদায় করে থাকে। জঙ্গলখাইন-ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত ২টি খাল হল চানখালী খাল এবং আলমখালী খাল। জঙ্গলখাইন-ইউনিয়নের প্রধান হাট/বাজার হল আমজুর হাট।

মন্তব্য